অচিন শহর
খানিক দ্যুতি যায় ছড়িয়ে দিগন্ত পথ ধরে,
মেঘের দলেও বিস্মিত হয় আলোর সে মন্তরে।
এ কি কোন তারার আলো, দেখছি আঁধার মাঝ,
নাকি জমায় পূবের সীমায় রহস্যেরই ভাঁজ?
দিগন্তে তায়,মেঘ ছুটে যায়,সম্মুখে ওই পানে
প্রভাত কালে নিঝুম ধরা, মানবও অজ্ঞানে।
ভোরের এমন তীক্ষ্ণ আলো, চোখ যে তা না সয়,
কবির কলম থমকে পড়ে, শঙ্কা আনে ভয়।
স্নিগ্ধ কিরণ,শীতল সমীর, মনের অচিন তীরে
দুঃখ, কষ্ট বেদনাকে ঘায়েল করেই ফিরে।
ভয় পেয়ে হয়,নাজুক যেথায় বিশ্বাসেরই ভিত-
কার আসাতে ভরসা মিলে,হৃদয় করে জিত?
ভোরের আলো কোথায় পেলে এমন দ্যুতির খোঁজ?
কার আলোকন তোমার মাঝে চমক আনে রোজ?
সুর্য, সে এক অচিন শহর দেখছে প্রতিদিন,
তারি এমন আলোক আভায় সবার হলো ঋণ।
নামখানি তার মদিনা যে জাগায় প্রাণে সুর
'মুনাওয়ারা' তাইতো হলো, দেয় হৃদয়ে নূর।
হেথায় হতে ছড়ায় দয়া,দূর দিগন্ত ও নভে
সৃষ্টিকূল-মহাবিশ্ব কিবা মোদের আপন এ ভবে।
দয়া রাজের দয়া ধ্বনি,হৃদয় দুয়ার খোলা
সত্য হাওয়ায় প্রশান্তিতে মনেরই পাল তোলা।
বখশিশেরই কুঞ্জ মিলে এই দুয়ারে গেলে
আর্তে আনে প্রাণের হাসি,পাওয়ার সবি পেলে ।
নির্ঝরে দেয় যেমন জলের ধারা নিরবধি
তেমনি রচে অকুল পাথার,তাঁর দয়ারই নদী।
সুর্য্যি যেমন ছড়ায় আলো,ধরার সবার তরে;
তেমনি তিঁনি বিত্ত বিলান নিঃস্ব হৃদয় ভরে।
বন্ধু যখন পর হয়ে যায়,সুখ হয়ে যায় বাসি
মাটির ঘরে অশ্রু ভুলান,নিমেষ মাঝেই আসি।
জানতে চাও কি তুমি তাঁরি প্রেমের প্রতিদান?
অসীম সেতো হার মেনে যায়,অঙ্ক হারায় জ্ঞান।
বিশ্বাসেরই একক সে যে ওই মদিনার নাম
জ্ঞানের ছোপে প্রেমেরই রং আঁকছে অবিরাম।
খানিক দ্যুতি দেয় ছড়িয়ে মনেরই প্রান্তরে
রসুল নামের স্নিগ্ধ আভায় হৃদয় পূর্ণ করে।
লেখাঃকাজী আহমদ এয়ার খান নাহিয়ান

No comments:
Post a Comment